সাহচর্য

মহ
মেহেদী হোসেন লিমন
Engineer · Talibul Ilm · Writer
· 2 মিনিট · 263 শব্দ

মানুষ হিসেবে আমরা অনেক কিছু ভাবি, অনেকখানে যাই, অনেক কিছু করি। এভাবে আস্তে আস্তে মানুষের সাথে আমাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, এককালের অপরিচিত মানুষ বন্ধু হয়ে যায়, অনেকে আবার শত্রুতে পরিণত হয়।

আমরা কাদের সাথে চলবো বা কাদের সাথে চলি এইটা ধরে নেই যে আমরা ঠিক করি। কিন্তু আসলেই কি আমরা এই মানুষগুলোকে বাছাই করি? কাল বাসে উঠলে আমার পাশের সিটে কে বসবে সেটা কি আমরা নির্ধারণ করি? নতুন নতুন ভার্সিটি তে উঠলে আমার ক্লাসে কারা কারা পড়বে সেটা আমরা জানি না। এটা আল্লাহ তায়ালাই জানেন। তিনি মানুষকে মানুষের সাথে পরিচয় ঘটান। যাদের সাথে পরিচয় ঘটে তার মধ্যে ভালো মানুষ থাকে, বদ মানুষও থাকে।

তো আমাদের চারপাশে যাদের সাথে আমাদের পরিচয় ঘটে তাদের মধ্যে কাদেরকে আমরা বন্ধু হিসেবে নিব, সেটা অনেকখানি আমরা নির্ধারণ করি, আমাদের বুদ্ধি দিয়ে, আমাদের স্বভাব দিয়ে, আমাদের স্বতঃস্ফূর্ততা দিয়ে। বাসে আমার পাশের সিটে বসা মানুষটার সাথে আমার সম্পর্ক গড়ে উঠবে কিনা, ক্লাসে কাদের সাথে আমরা বসব, চলাফেরা করব, এটা আমাদের চয়েজ।

আমাদের চারপাশে যাদের সাথে আমরা চলি, তারা অনেকখানি আমাদের ধ্যান ধারণা, আমাদের বিশ্বাস এ প্রভাব ফেলে। তাই আমাদের চারপাশে এমন মানুষদের সাথে চলা উচিত যাদের সাথে চললে হয় দুনিয়ার উপকার হবে কিন্তু আখিরাতের ক্ষতি হবে না অথবা আখিরাতের উপকার হবে। দুনিয়া আর আখিরাত দুইটাই ডুবাবে, অথবা দ্বীনি জিন্দেগীর ক্ষতি হবে – এমন মানুষ থেকে দূরে থাকা উচিত।

নেক সোহবত আল্লাহর রহমত স্বরূপ। এটা মানুষের কাজকর্ম, বিশ্বাস, ধ্যান-ধারণা সবকিছুতেই দ্বীনের সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ইলম অর্জন কিংবা আমলে জিন্দেগী বানাতে হলে নেক সোহবতের বিকল্প নেই। আল্লাহর কাছে নিয়মিত দোয়া করা উচিত যেন তিনি আমাদেরকে নেক মানুষদের সাহচর্য লাভ করান। কেননা তিনিই একমাত্র হেদায়েত দানকারী। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন।