রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?

রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?

ছেলেটাকে দেখে আমি এগিয়ে গেলাম। বয়স বারো তেরো এরকম। বল খেলছে। ক্রিকেট! কিন্তু মজার ব্যাপার হলো সে ব্যতীত আর কোন খেলোয়ার নেই। আসলে একটা নির্মাণাধীন ঘরের পিলারের সাথে খেলছে সে। নিজেই দৌড়ে এসে বল করছে বল পিলারের কোনায় বা মাঝে লেগে ছুটে যাচ্ছে। নিজেই ফিল্ডিং আবার নিজেই স্কোর লিখছে তার স্কোরবোর্ডে।

একটু অবাক হলাম। ক্রিকেট খেলা যে একা খেলা যায় এটা কখনো জানতাম না। জিজ্ঞেস করলাম, এই ছেলে একা একা খেলো কেন?

সহজে উত্তর দিতে চাইল না। লাজুক টাইপের! দেখেই মনে হয় ইন্ট্রোভার্ট! উত্তর শুনে বুঝতে পারলাম এটা তার নিজস্ব খেলা। সব সময় যে সে একা একা খেলে ব্যাপারটা এরকম না। তার বন্ধুরাও খেলে। বিকেলে মাঠে খেলে, দুপুরে সাঁতার কাটে। কিন্তু এটা তার একটা নিজস্ব জগৎ।

জিজ্ঞেস করলাম, কোন ক্লাসে পড়ো?

উত্তর আসলো, ক্লাস সেভেন, রোল এক।

মোটামুটি ভালো স্টুডেন্ট দের এই একটা সমস্যা। তারা তাদের রোল নিজের অজান্তেই বলে ফেলে। তারপর এমন ভাবে তাকায় যেন সে একটা ফিরতি বাহবা পায়। আমিও তাড়াতাড়ি ছেলেটির প্রাপ্য বাহবা তাকে দিলাম।

হঠাৎ তাকে জিজ্ঞেস করলাম, এই ছেলে তোমার জীবনের লক্ষ্য কি?

উত্তর মুখস্ত! ডাক্তার হব। গ্রামের বাবা-মায়ের শিক্ষকের শেখানো উত্তর। একটু ভালো ছাত্র, ডাক্তার তো হতেই হবে!

একটা গভীর প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে ইচ্ছা করল, তোমার কাছে জীবনের মানে কি?

ক্লাস সেভেনের একটা ছেলের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে একটু ধৈর্য ধরতে হবে এবং তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে।

সে অবশ্য বুঝিয়ে বলার আগেই কিছু একটা বলতে চাইল। কিন্তু সেটা শোনার আগেই আমার মনোযোগ বাড়ির ভিতরে মহিলার কথোপকথনে আকৃষ্ট হলো।

তার কথার সারসংক্ষেপ হলো প্রতিদিন বাচ্চা বিছানা ভিজিয়ে ফেলে। প্রতিদিন বিছানা বদলানোর তো নতুন সহজ কোন কথা না। এত বড় হয়ে গেছে তাও এই অভ্যাসটা যাচ্ছে না।

বাচ্চার অভিযোগ পিঠে ঠান্ডা লাগে। কিন্তু মায়ের কাছে তো বিছানার চাদরের নিচে পলিথিনের বস্তা দেয়া তোষক ভিজানোর চেয়ে সহজ কাজ। অন্তত শুধু বিছানার চাদরটা ভুলে চলে।

অবশ্য এই কথা হচ্ছে কথা শুনে বাচ্চার বয়স অনুমান করতে পারলাম না। একটু পরে বাড়িতে দেউড়ি দিয়ে একটা আট বছরের ছেলে বেরিয়ে এলো।

আমি ডাক দিলাম।

আমার হাক ডাক শুনে অনেকটা ভয়ে ভয়ে সে এদিকে এগিয়ে এলো। প্রথমে নাম জিজ্ঞেস করে নিলাম। নাম বলাতে সে যে সময় নিল তাতে বুঝলাম সহজে কোন কথা বলার মতো না।

একেবারে সহজ সরল একগুঁয়ে টাইপ। মনে হয় পরিচিত মানুষের কথার উত্তর ঠিকমত দেয় না। আর আমি তো তার কাছে একেবারেই অপরিচিত।

জিজ্ঞেস করলাম,কোরআন পড়তে পারে কিনা। উত্তর পজেটিভ আসলো। আসাটাই স্বাভাবিক। এদেশের মুসলিম পরিবারে জন্ম নিলে অন্তত মা-বাবা ছোটবেলায় কুরআন সহিহ ভাবে শিক্ষা দেয়ার চেষ্টা করেন। যদিও বড় হতে হতে তার এই শিক্ষা বেশিরভাগ সময় গায়েব হয়ে যায়।

আমি আমার মূল প্রশ্নে চলে গেলাম। কোন ক্লাসে পড়ে, জীবনের লক্ষ্য কি, সারাদিন কি নিয়ে ভাবে, কি করে, কার সাথে খেলতে ভালো লাগে এসব আর কি।

আমি মূলত শিশু-কিশোর যুবকদের মানসিকতা যাচাই চেষ্টা করছি। জীবন নিয়ে তারা কি ভাবে? তাদের জীবনের লক্ষ্য কি? তারা কি নিয়ে চিন্তা করে। বয়সের সাথে এর পরিবর্তন কেমন এইসব আরকি!

আমার জরিপের লক্ষ্য আলাদা। বিভিন্ন বয়সী ছেলেপেলেদের নৈতিক শিক্ষা এবং মূল্যবোধ কতখানি এবং এরা ইসলাম কতখানি উপলব্ধি করে সেটা বোঝার চেষ্টা করছি। আমি পারিবারিক, সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রভাবটা বোঝার চেষ্টা করছি! সেগুলো কতখানি শিশু-কিশোর থেকে যুবকদের চিন্তাভাবনা সেট করে দিচ্ছে!

যাইহোক আট বছরের ছেলেটি তার বন্ধু বান্ধবদের সাথে খেলাধুলায় মশগুল হয়ে গেল।

আমিও উল্টো দিকে হাঁটা ধরলাম! গ্রাম থেকে বেরিয়ে একটা ভ্যানে চড়ে বাজারে প্রবেশ করলাম। বাজারের শেষের দিকে স্কুলের গেটের সামনে থামলাম!

আমার জরিপ কাজের জন্য এটা একটা আদর্শ জায়গা। কিন্তু সমস্যা হল এই ছেলে পেলে এগুলো সহজে পাত্তা দিতে চায় না।

স্কুল কখন ছুটি হয়ে গেছে! একটা ছেলেকে পেয়ে গেলাম সে সাইকেলের চেইন ঠিক করছিল। সম্ভবত প্রাইভেট পড়ে স্কুলের সীমানা পার না হতেই তার চেইন পড়ে গেছে। তার সাথীরা এগিয়ে গেছে!

কটকটে হলুদ একটা শার্ট! বুঝতে পারলাম একেবারেই ফ্যাশন সচেতন না। তবে চেষ্টা করছে তার আমলের অন্য ছেলেদের মত হতে। টিপিক্যাল ছেলে। এখন এই বয়সেই প্রেমালাপ চলে! এরা আবার নাকি ছ্যাকাও খায়!

তাকে হতভম্ব করে দিয়ে আমি জিজ্ঞেস করলাম, এই ছেলে তুমি কি প্রেম করো নাকি?

অপ্রস্তুত হয়ে গেল ছেলেটা! শুরুতে এরকম একটা প্রশ্ন করা উচিত হয়নি। যাই হোক আলাপ চলল তার সাথে। পরীক্ষা সামনে! পড়াশোনায় ভালো হওয়ায় চাপটাও একটু বেশি। প্রাইভেটে পরীক্ষা চলে। চতুর্থ পিরিয়ডে স্কুলে যায়। পঞ্চম পিরিয়ডে ব্রেক এর সময় ইংরেজি প্রাইভেট পড়ে। সপ্তম পিরিয়ডের ক্লাস করে সাধারণত বাড়ি চলে যায়। আজ ক্রিকেট খেলা ছিল তাই যেতে পারেনি।

দশম শ্রেণীর হওয়াই এবং বছরের শেষের দিকে হওয়ার কারণে একটা শিথিলতা চলে এসেছে ক্লাসে। ভালো স্টুডেন্ট হওয়ায় স্যাররা কিছু বলে না। অন্যান্য দশ জন ছেলে যা করে সেরকম হওয়ার চেষ্টা করছে। বন্ধু, বান্ধবী, এদেরকে সে অনেক গুরুত্ব দেয়। বাড়িতে ভালো লাগেনা! মাঝে মাঝে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে। কখনো সাহিত্যিক, কখনো বিজ্ঞানী ইত্যাদি হতে ইচ্ছা করে ওর! দেশের ইতিহাস সমাজ ধর্ম ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা মাইন্ড সেট আপ করে দিয়েছে। বেশিরভাগ সময় যে হতাশা আর সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে তা দেখলে বোঝা যায়! আমার একটু মায়াই লাগলো!

যাইহোক, ওকে ছেড়ে দিলাম।

এখন কলেজ আর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা করে ইন্টারভিউ পেলেই হয়।

কলেজের ছাত্রদের পাওয়ার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে মেসে গিয়ে কোন একটা রুমে ঢুকে পড়া।

আমাকে রুমে ঢুকতে হলো না! মেসের পেপার কর্নারে একজনকে পেয়ে গেলাম! দুপুরবেলা! খুব বেশিক্ষণ হয়নি পেপার দিয়ে গেছে। সাধারণত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে এভাবে কাউকে পত্রিকা পড়তে দেখি না বয়স্ক লোক ছাড়া।

আমাকে দেখেই বললো, দেখেছেন কি অবস্থা!

সে আন্দোলন চলছে। এবার দেশটা ঠিক না হয়ে যায় না!

আমি স্মিত হাসি হাসলাম। চোখেমুখে ওর দেশপ্রেমের ঝিলিক! কথাবার্তা হালকা এগুতেই কলেজ প্রাইভেট পড়াশোনা এসব নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম। সরকারি কলেজ বলে তেমন একটা ক্লাস করে না। প্রাইভেটে নিয়মিত যেতেও আলসেমি লাগে।

ওর চোখমুখ দেখে বোঝা যায় রাতে ঠিকমতো ঘুম হয়না। শরীরের যত্ন তেমন নেয় না।

‘বুঝলেন ভাই, এইচএসসি পাশ করলেই এডমিশন টেস্ট। ভালো একটা জায়গায় টিকতে না পারলে নাকি জীবন বৃথা। অথচ এই লোকগুলাই আগে বলতো অমুক ক্লাসে বৃত্তি না পেলে জীবন বৃথা, তমুক ক্লাসে এ প্লাস পেতে হবে!’ নিজে থেকেই বললো।

আমি জিজ্ঞেস করলাম, নামাজ কেমন পড়ো! উত্তর দিলো, মোটামুটি! মেসে থাকলে চার ওয়াক্তের মত পড়া হয়, বাড়িতে পড়া হয়না।

মন খারাপ থাকলে বন্ধু বান্ধবীদের সাথে কথা বলে। মোবাইলে মুভি দেখে! পড়াশোনাটাও মোটামুটি করে।

বলে, পরীক্ষায় রেজাল্ট ভালো করলেই সবাই খুশি। কিন্তু এখন একটু স্বাধীনভাবে থাকায় পড়াশোনা তেমন বেশি হয় না।

জীবনের লক্ষ্য সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম! আকারে-ইঙ্গিতে বুঝতে পারলাম খুব বেশিদূর টার্গেট করে না সে। কাছাকাছি পরীক্ষাগুলোকে ভালো করে চেষ্টা করে। আর হতাশ লাগলে মুভি দেখে, বন্ধুবান্ধবদের সাথে কথা বলে সময় কাটায়।

ফিরে আসার সময় বিয়ে করবে কখন এই প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করলাম।

কি যে বলেন, ভার্সিটিতে পড়ব, প্রেম করব, চাকরিটাকরি করবো তারপর না বিয়ে!

আপাতত জরীপ কার্য স্থগিত করে আমি ঢাকায় ফিরলাম।

কয়েক বছর পর ছেলেটার সাথে দেখা। ওর রুমে গেলাম।

এলোমেলো অবস্থা রুমের। শুয়ে শুয়ে ল্যাপটপ চাপছে।

জানালো- মুভি দেখা, টিউশনি করা এসবেই সময় চলে যাচ্ছে। ঘুমায় দেরি করে উঠেও দেরি করে।

ছেলেটা বড় হয়ে গেছে মনে হল। ভাবলাম আমার সেই কাজটা এগিয়ে নেই। অনেক দিন পড়ে আছে।

এবার ওর কাছে আমার পুরনো প্রশ্নগুলো উত্থাপন করলাম।

জীবনের লক্ষ্য টিপিক্যাল। কিছুই ঠিক করে উঠতে পারছে না। একটা ভালো জব পাইতে হবে! অথবা উচ্চশিক্ষা নিতে বাইরে যেতে হবে। বড় ভাইদের কথা শুনলে হতাশা চলে আসে। কেউ তার জায়গায় সুখী নেই। অনেকেই মোটিভেশন মুলক কথাবার্তা বলে। কাজ হয়না! সময় কাটানো কিংবা হতাশার দাওয়া! যাক না জীবন যাচ্ছে যেমন! মুভি দেখে, গান শুনে! বন্ধু বান্ধবদের সাথে কথা বলে! সবার মোটামুটি একই অবস্থা। কেউ জানেনা তার চূড়ান্ত লক্ষ্য কি!

নামাজ কালাম এর কি অবস্থা জানতে চাইলে বলে, মোটামুটি হয়, হয় না!

আমি আমার সময়টাতে ফিরে এলাম!

আমার টেবিলে! এই মুহূর্তে যেখানে বসে আমি লিখছি!

আচ্ছা! বিছানা ভিজিয়ে ফেলা ছেলেটা ভার্সিটিতে উঠার পরও তার জীবনের লক্ষ্য জানে না কেন!

সব বয়সের ছেলেগুলো হতাশ কেন? জীবনের মানে বুঝতে হলে কি মধ্য বয়সে উপনীত হয়!

একটা ছেলে জন্ম নিচ্ছে, শৈশব কৈশোর কাটাচ্ছে! আস্তে আস্তে তার মনোজগৎ সমৃদ্ধ হচ্ছে! সে ভাবছে খেলাধুলা পড়াশুনা আর সমাজের চোখে ভালো হয়ে থাকাই তার জীবনের লক্ষ্য।

একজন মুসলিম হিসেবে জন্ম নিলেও ইসলাম সম্পর্কে তার ধারণা নামাজ অনুযায়ী আটকে আছে কেন? তার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ এর অনুভব তার সারাটা জীবন অনুপস্থিত কেন?

যুবক হয়ে যাওয়ার পর সেভাবে অনেক কিছু জ্ঞান অর্জন করেছে! যুক্তি সাজিয়ে কথা বলে! আস্তে আস্তে ভিতরে ভিতরে গর্ব অনুভব করে! সফলতার স্বর্ণ শিখরে আরোহণ করতে চায়!

কিন্তু প্রকৃত সফলতা কি সে চিনতে পারে? প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করতে পারে? তার যে আমি এটা আজ নিজের জ্ঞান-গরিমা নিয়ে গর্ব করছে, তার বুদ্ধি বিশ পঁচিশ বছর আগে কোথায় ছিল যখন সে অন্যের সাহায্য ছাড়া চলতে পারত না!?

আমি আমার ভার্সিটি, কলেজ, স্কুল, আমার শৈশবের দিকে তাকাই! তাকাই সেই বিছানা ভিজিয়ে ফেলা আট বছরের আমিটার দিকে! তাকাই সেই ক্লাস সেভেনের একাকী সময় কাটানো আমার দিকে!

কেন সমাজ থেকে আমাদেরকে একটি সংকীর্ণ লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেয়া হয়! কেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আমাদেরকে দ্বীনের মৌলিক ব্যাপারগুলোকে শিক্ষা দেয়া হয় না!

কেন আমরা আমাদের দিকে ফিরে তাকাই না যে আমরা এক সময় ছিলাম ভ্রূণ! তার আগে আমাদের অস্তিত্ব ছিলনা! অথচ এখন আমি এই আমার নশ্বর দেহটাকে আমার নিজের মনে করছি। কিন্তু সময় এগিয়ে আসলেও আমার মৃত্যুকে, আমার জন্মকে অনুভব করছি না।

৬ বছর আগে মারা যাওয়া আমার বাবার কোনরকম উপস্থিতি ছাড়াই আমাদের সবার দিন চলে যাচ্ছে। যাবে! যেন মানুষটা কখনো ছিল না! তার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে! আমাদেরও যাবে।

কেন আমি আমার জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারিনা? আমাদের মাথায় সমাজের সেট করে দেওয়া জীবনের পদ্ধতি ঘুরপাক খায়! একটা ভালো স্কুল, ভালো কলেজ, ভালো ভার্সিটি, ভালো চাকরি, প্রমোশন! অথচ এরপর যে অখন্ড অবসর আসবে কিংবা এসবের কিছুই আসার আগে মৃত্যু চলে আসবে সেটা উপলব্ধি করার সেটা ভাবার জ্ঞান আমাদেরকে দেয়া হয় না।

আমরা আল্লাহকে উপলব্ধি করতে শিখি না। আমাদের ইসলামকে উপলব্ধি করতে শিখি না! খুঁজি না আমাদের শান্তিটাকে।

সময়ের সংখ্যারেখায় খুব ছোট একটা অংশ আমরা দখল করে থাকি। বরাদ্দকৃত অংশের বেশিরভাগ ব্যয় হয় পরের টুকুর প্রস্তুতিতে। অথচ পরের অংশটুকু পাব কিনা তার কোন গ্যারান্টি নেই।

অথচ একটু সচেতনভাবে আল্লাহর নির্দেশিত এবং রাসূলের দেখানো পথে জীবন যাপন করলে আমাদের ছোট্ট জীবন টুকু কালের সীমানা ছাড়িয়ে মূল্য হাকাবে তার রবের কাছে।

এখনো সময় আছে! নিঃশ্বাস যতক্ষণ আর কি!

তওবা করি এখনই।

সিদ্ধান্ত আমাদের।

রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?

পেশায় তড়িৎ প্রকৌশলী। মাঝে মাঝে কিছু লিখতে ইচ্ছা হয়। কিছু লিখি। তারপর আবার মুছে ফেলি। লেখা আর মুছে ফেলার মাঝে কিছু থেকে যায়। সেগুলোর জন্যই এখানে আসা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top