দৃশ্যকল্প – ১ঃ
– শিক্ষার্থী-১ ক্লাস ঠিকমত করলেন, পড়াশোনা ঠিকমত করলেন, পরীক্ষার হলে কোনদিকে মন না দিয়ে ঠিকমত লিখলেন, পাশ করলেন এবং অর্জিত জ্ঞানকে পরবর্তীতে কাজে লাগালেন।
– শিক্ষার্থী-২ ক্লাস ঠিকমত করলেন না, পরীক্ষার আগে কোনমতে পড়ে পরীক্ষার হলে এদিক ওদিক করে কোনমতে পাশ করলেন এবং পরবর্তীতে তার অর্জিত জ্ঞান অত ভালোভাবে কাজে লাগল না।
– শিক্ষার্থী-৩ দুই একদিন ক্লাসের মুখ দেখেছিলেন, পরীক্ষার সিলেবাস কিংবা বিষয় কিছুই জানেন না, কিন্তু পরীক্ষায় বসে সাদা খাতা জমা দিয়ে ফেল করলেন এবং পরবর্তীতে তাকে পড়াশোনার গণ্ডিতে খুঁজেও পাওয়া গেল না।
দৃশ্যকল্প – ২ঃ
– লোক-১ তার দুনিয়ার জীবনের উদ্দেশ্য জানলেন, জীবনযাপনের নিয়মকানুন জানলেন, মানলেন, এক প্রশান্ত মন নিয়ে আখিরাতে ভালো কিছুর আসায় মারা গেলেন।
– লোক-২ তার দুনিয়ার জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে অত মাথা ঘামালেন না, এদিক ওদিক থেকে জোড়াতালি দিয়ে অল্প কিছু নিয়মকানুন মেনে কোনভাবে অশান্ত মনে জীবনযাপন করে এবড়োথেবড়ো আশা নিয়ে মারা গেলেন।
– লোক-৩ দুনিয়ায় খেয়ালখুশিমত চলেন, নিয়মকানুনের ধার ধারেন না, বিশৃঙ্খল ( হতে পারে দুনিয়ার মানুষের চোখে সফল ) জীবনযাপন করে পরকালের চিন্তা না করেই মারা গেলেন।
উপরের দুই দৃশ্যকল্পের আরও অনেক বৈচিত্র্য থাকতে পারে। আমি এখানে শুধু পড়াশোনার পর পরীক্ষা এবং জীবনের পর মৃত্যু এই দুই বিষয়ে কয়েকটা ক্ষেত্রের উল্লেখ করলাম। কোন তুলনা করার জন্য না। এগুলোর অনেক দুর্বল পয়েন্ট থাকতে পারে। জাস্ট মাথায় এগুলো ভেসে উঠল তাই লিখে দিলাম। নিজেকে জিজ্ঞেস করছি – আল্লাহ যে জ্ঞান বুদ্ধি মাথায় দিয়েছেন তা দিয়ে খুব সহজেই তো বের করা যায় কোন ক্ষেত্র আমার জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে উত্তম হবে, তাহলে সেই অনুসারে কাজ করছি না কেন?