একটা বীজের অংকুরোদগম একদিন বিশাল এলাকা ছায়া দেয়ার আভাস দেয়। হাজার হাজার নতুন বীজের সুচনা করে।
যারা পার্থিব সম্পদ, সমৃদ্ধি, ভোগের কাংগাল, তারা পরকালীন সুখ স্বাচ্ছন্দ্যকে উপলব্ধি করতে পারে না। তারা শিকর গেড়ে বসে। জীবনের সবকিছু সুন্দর করে পরিকল্পনায় সাজাতে চায়।
ইমানের তাগিদ হল জীবন মুসাফিরের ন্যায়। এখানে শিকড় বলতে কিছু নাই। পিতা-মাতা, সন্তান, সম্পদ কিছুই নিজের নয়। এগুলো আল্লাহর দেয়া নিয়ামত। আল্লাহ তাআলা আদেশ করেছেন বলে এদের হক আদায় করা হবে, ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে নয়।
তাই ইসলামের প্রকৃত বুঝ থাকলে কোনখানে শিকড় গজাবে না। মুহুর্তের মধ্যে আল্লাহর জন্য সব ছুড়ে ফেলতে কুন্ঠাবোধ হবে না। না পরিবার, না কোন পার্থিব অর্জন। হারানোর কোন ভয় থাকবে না। কারণ কোনকিছুরই মালিকানা আমাদের না। ভরসাস্থল হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।
একজন মুসলিমের সীমারেখা হবে শরীয়ত। সেই শরীয়ত যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময় ছিল। কোন বাড়া কমা নয়। মডারেট কোন ভার্সন নয়।
একজন মুসলিম কোন দুশ্চিন্তা ছাড়াই এগিয়ে যায়। তার আছে শুধু অর্জন। হয় দুনিয়া ও আখিরাত উভয়ের অথবা শুধু আখিরাতে।
তাইতো অন্তরে যে বীজ সুপ্ত অবস্থায় থাকে তা একসময় সাফল্য আনবেই। আজ অথবা আগামীকাল। পার্থক্য শুধু সময়ে।
দুনিয়াসক্তরা মুমিনের অর্জন হয়ত দেখতে পারবে না। নেহায়েত কিছু আবেগ মনে হবে। হয়ত আসলেই পরিকল্পনার অভাব থাকবে। কিন্তু ইনশাআল্লাহ একদিন তা সম্মিলিত বৃক্ষ দাঁড় করাবে। যার ফল থাকবে দুনিয়া ও আখিরাতে।